হাম হলে করণীয় নিচে দেওয়া হলো:
বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস : সুস্থ বার্ধক্যে ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব
গরমে ত্বকের বয়েল ও কারবাংকল রোগ কেন হয় ?
ঘুমের সঙ্গে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা
ডা. কামরুল ইসলাম, বিনামূল্যে ১৫০০ কিডনি প্রতিস্থাপনের রেকর্ড
জরায়ু ক্যান্সার : কারণ, লক্ষণ এবং চিকিৎসা,ভ্যাকসিন
প্রচন্ড গরমে জনজীবন প্রায় দূর্বিষহ৷ এই গরমে বিভিন্ন রোগ-জীবানু অসুখ-বিসুখ লাগবেই কিন্তু এই সকল রোগ থেকে আমাদের সচেতন থাকতে হবে৷ এই গরম আমাদের শুধু অস্বস্থিরই কারণ নয়, একই সঙ্গে শরীরের এনার্জি লেভেলও কমিয়ে দেয়৷ গরমে থেকে বাঁচার সাতটি উপায় নিচে দেওয়াঃ
১. প্রথমত হলো নিরাপদ এবং বিশুদ্ধ ঠান্ডা পানি পান করা৷ ঠান্ডার পরিমান যেন সহনশীল মাত্রার থাকে, নয়তো আবার আপনার গরম-ঠান্ডা লাগতে পারে৷
২.অব্যশই বাইরের খোলা জায়গার পানি, শরবত, আখের রস খাওয়া পরিহার করবেন৷ এগুলো পান করার ফলে ডায়রিয়া কিংবা আমাশয় হতে পারে৷ এতে আপনার মাসিক আর্থিক ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুর ঝুঁকিও থাকে৷
৩. প্রয়োজনে ঘরের তৈরি শরবত বা জুস পান কর যেতে পারে৷ বেলের শরবত, কিংবা লেবু চিনির শরবত পান করুন যা স্বাস্থ্যকর ও জীবানুমুক্ত৷
৪. গরমে রসালো ফল বেশি খাবেন৷ ডাব, তরমুজ, বাঙ্গি(ফুটি), এগুলো হাত ধুয়ে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নভাবে খাবারের জন্য উপযোগী করে গ্রহণ করা প্রয়োজন৷ এছাড়া খেতে পারেন বিভিন্ন রসালো ফলের ফ্রুট সালাদ৷
৫. এই গরমে মাছ-মাংস, ভাজা-ভুনা, খিচুড়ি, পোলাও না খেয়ে পানি জাতীয় শাকসবজি, পাতলা দুধ, টকদই, করলার বোল তরকারি, সালাদ বেশি করে খাবেন৷ আমিষ জাতীয় এই খাবারগুলো দেহকে উত্তপ্ত করে, ফলে ঘাম বেশি হয় এবং খাবার হজমে সমস্যা হয়৷
৬. পোলাও, বিরিয়ানি, তেহেরী, খিচুড়ি, তেলের পরটা থেকে সাদা ভাত অনেক বেশি উপকারী ও স্বাস্থ্যকর৷
৭. সকল প্রকার ফাষ্টফুড পরিহার করম্নন৷ ফাষ্টফুড আপনার শরীরের খাবারের চাহিদা সঠিকভাবে পূরণ করতে পারে না৷
৮. মশলা যেকোনো খাবারে প্রাণ, তবে অতিরিক্ত মশলা নয়, একটি নির্দিষ্ট পরিমান পর্যন্ত খাবারের মশলা দেহের জন্য সহনীয়৷ অতিরিক্ত মশলাদার খাবারই দেহের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং বিপাকক্রিয়াকে ব্যাহত করে৷
৯. চা কিংবা কফি জাতীয় পানীয় এই গরমে এড়িয়ে চলাই উত্তম৷ এগুলো দেহে অতিরিক্ত তাপ সৃষ্টি করে৷ চা ও কফির ক্যাফেইন এবং দোকানের অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয়, দেহে পানি শূণ্যতা বাড়ায় এবং মুখ ফ্যাকাশে করে ফেলে৷
১০. সস কিংবা সস দিয়ে তৈরি খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত নয়৷ বিশেষ করে, পনিরের সস সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলতে হবে৷ সসের সাথে দেহে প্রবেশ করে প্রায় সাড়ে তিনশ' ক্যালরি৷ ফলে আপনার দেহে ক্লান্তি আসবে, শরীর ভার ভার মনে হবে৷ তাই সস ব্যবহার না করে খাবার যতোটা সম্ভব পুষ্টিসমৃদ্ধ এবং প্রাকৃতিক রাখুন৷
এই গরমে সুস্থ্য থাকতে হলে অবশ্যই নিয়ম মেনে খাবার গ্রহণ করা উচিত৷ নিজেকে সবসময় সতেজ ও উজ্জ্বল রাখতে চাইলে ক্ষতিকর খাবারগুলো এড়িয়ে চলুন এবং সুস্থ্য থাকুন৷
বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস : সুস্থ বার্ধক্যে ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) ...
বিস্তারিত
গরমে ত্বকে কেন বয়েল ও কারবাংকল হয় ? গ্রীষ্মকাল, কোনো দিন প্রচণ্ড গরম, তো আরেক ...
বিস্তারিত
হাম হলে করণীয় নিচে দেওয়া হলো: হাম কি? হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি ভাইরাসজনিত রোগ। হাম হলে ...
বিস্তারিত
কাশি অস্বস্তিকর ও কিছু ক্ষেত্রে মারাত্মক রোগের পূর্বাভাস দিলেও কাশি প্রকৃতপক্ষে রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। শ্বাসতন্ত্র ...
বিস্তারিত
জরায়ু ক্যান্সার : কারণ, লক্ষণ এবং চিকিৎসা,ভ্যাকসিন নারীদের জরায়ু ক্যান্সারকে বলা হয় সাইলেন্ট কিলার বা ...
বিস্তারিত
বিনামূল্যে লাখ টাকার অপারেশন বিনামূল্যে লাখ টাকার অপারেশন করেন অধ্যাপক ডা. সায়েবা আক্তার। অবসরকালীন প্রভিডেন্ট ফান্ডের ...
বিস্তারিত
©2014 Copyright by Micron Techno. All rights reserved.