হাম হলে করণীয় নিচে দেওয়া হলো:
বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস : সুস্থ বার্ধক্যে ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব
গরমে ত্বকের বয়েল ও কারবাংকল রোগ কেন হয় ?
ঘুমের সঙ্গে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা
ডা. কামরুল ইসলাম, বিনামূল্যে ১৫০০ কিডনি প্রতিস্থাপনের রেকর্ড
জরায়ু ক্যান্সার : কারণ, লক্ষণ এবং চিকিৎসা,ভ্যাকসিন
আপনার সন্তান কি প্রায়শই অ্যালার্জিতে ভোগে? তাহলে একটু বেশি সতর্ক থাকতে হবে।
কেননা গবেষকরা বলছেন, যে সব বাচ্চা অ্যালার্জিতে ভোগে, অল্পবয়সেই তাদের হৃৎপিণ্ডে সমস্যা দেখা দিতে পারে।সতর্ক থাকুন, সুরক্ষিত রাখুন ওদের।
দেখা গিয়েছে, ভারতে প্রতি ১০ জনের মধ্যে একজন অ্যালার্জিতে ভোগেন। ধুলো থেকে খাবার, অ্যালার্জির কারণ বিবিধ। গবেষকরা বলছেন, অ্যাজমার মতো সাধারণ অ্যালার্জিতে যে সব শিশুরা ভুগছে, তাদের হৃৎপিণ্ডে সমস্যা দেখা দিতে পারে অল্পবয়সেই।
‘জার্নাল অফ অ্যালার্জি অ্যান্ড ক্লিনিক্যাল ইমিউনোলজি’-র সর্বশেষ সংখ্যায় ১৩ হাজারের বেশি শিশুর উপরে করা একটি গবেষণার কথা বলা হয়েছে।
এই গবেষণায় অ্যালার্জি এবং হৃদরোগের মধ্যে সরাসরি কার্য-কারণ সম্পর্কের উপর জোর দেওয়া হয়নি।
তবে অ্যালার্জি-সমস্যা দূর করার কথা বলা হয়েছে পর্যাপ্ত গুরুত্ব দিয়ে।
গবেষকরা একাধিক বিষয় মাথায় রেখে বলছেন, অ্যালার্জিতে ভোগা শিশুরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ঘরে থাকে। কেননা, বাইরে গিয়ে খেলাধুলো করতে তাদের সমস্যা বাড়ে। খেলাধুলো, দৌড়োদৌড়ি না-করার ফলে স্থূলতা আসছে তাদের মধ্যে। স্থূলতা আসার অর্থ রক্তচাপ থেকে শুরু করে কোলেস্টেরল— সব ক্ষেত্রেই সমস্যাবৃদ্ধি। এবং সেটাও অতি অল্পবয়সে।
এ ছাড়াও, অ্যালার্জি থেকে প্রদাহ বাড়ে। হালফিলে বহু ক্ষেত্রে হৃদরোগের প্রাথমিক কারণ হিসেবে প্রদাহের কথা বলা হয়।কার কীসে অ্যালার্জি হবে, তা নির্দিষ্টভাবে বলা যায় না। কারও ধুলো থেকে হতে পারে, কারও হতে পারে নিরীহ কোনও খাবার থেকে। অনেকের ক্ষেত্রে অ্যালার্জি জেনেটিকও।
কিন্তু গবেষকরা বলছেন, কীভাবে একটি শিশুকে বড় করে তোলা হচ্ছে, তার উপরে অ্যালার্জি নির্ভর করতে পারে। আর এই বিষয়টি শুরু হয় একেবারে গোড়া থেকেই।
২০১৩ সালে নরওয়েতে একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছিল, স্বাভাবিক প্রসবে জন্ম নেওয়া শিশুদের তুলনায় সিজেরিয়ান শিশুদের অ্যালার্জি হওয়ার সম্ভাবনা ৫২ শতাংশ বেশি। অ্যালার্জি থেকে শিশুদের সুরক্ষিত রাখার উপায় হিসেবে গবেষকরা বলছেন মাতৃদুগ্ধের কথা। মাতৃদুগ্ধে প্রায় ৯০০ প্রজাতির ভাল ব্যাকটিরিয়া থাকে যা শিশুদের অ্যালার্জি থেকে রক্ষা করে।
শিশুদের অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার উপরেও একপ্রকার নিষেধাজ্ঞাই জারি করছেন গবেষকরা। তাঁরা বলছেন, অ্যান্টিবায়োটিক খেলে একজিমার মতো অ্যালার্জি হওয়ার সম্ভাবনা ৪০ শতাংশ বাড়ে।
তবে একটু সতর্ক থাকলে শিশুদের এই সব সমস্যা থেকে অনায়াসেই দূরে রাখা যায়, সে কথাও বলছেন গবেষকরা।
ref:VK
বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস : সুস্থ বার্ধক্যে ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) ...
বিস্তারিত
গরমে ত্বকে কেন বয়েল ও কারবাংকল হয় ? গ্রীষ্মকাল, কোনো দিন প্রচণ্ড গরম, তো আরেক ...
বিস্তারিত
হাম হলে করণীয় নিচে দেওয়া হলো: হাম কি? হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি ভাইরাসজনিত রোগ। হাম হলে ...
বিস্তারিত
কাশি অস্বস্তিকর ও কিছু ক্ষেত্রে মারাত্মক রোগের পূর্বাভাস দিলেও কাশি প্রকৃতপক্ষে রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। শ্বাসতন্ত্র ...
বিস্তারিত
জরায়ু ক্যান্সার : কারণ, লক্ষণ এবং চিকিৎসা,ভ্যাকসিন নারীদের জরায়ু ক্যান্সারকে বলা হয় সাইলেন্ট কিলার বা ...
বিস্তারিত
বিনামূল্যে লাখ টাকার অপারেশন বিনামূল্যে লাখ টাকার অপারেশন করেন অধ্যাপক ডা. সায়েবা আক্তার। অবসরকালীন প্রভিডেন্ট ফান্ডের ...
বিস্তারিত
©2014 Copyright by Micron Techno. All rights reserved.